‘সময়ের নায়ক’ প্রশান্ত কুমার হালদার লুঠ বাহাদুর




‘সময়ের নায়ক’ প্রশান্ত কুমার হালদার লুঠ বাহাদুর (প্রস্তাবিত)

শুভ অপরাহ্ন সহনাগরিকগন, বিশেষ করে কানাডা প্রবাসী বাঙালি/বাংলাদেশী/বাঙালি কানাডিয়ান/কানাডিয়ান বাঙালি/বাংলাদেশী কানাডিয়ান ও কানাডিয়ান বাংলাদেশী প্রিয়জনেরা।

আপনাদের সবার জন্য সুখবর……

আমাদের প্রিয়, সর্বজন শ্রদ্ধেয় ‘সফল মানুষ’ প্রশান্ত কুমার হালদার বাবু ওরফে পি,কে, হালদার অত্যন্ত শান্তভাবে বহাল তবিয়তে 16, Deanecrest Rd Etobicoke, ON M9B 5W4,Canada এই ঠিকানায় বাস করছেন। (ঠিকানা সুত্রঃ কালের কণ্ঠ https://cutt.ly/9rmIL6m )

আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ছিলাম, ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সফলভাবে লুঠের পর মহা মহা মাননীয়, সম্মানিত প্রশান্ত বাবু এবং তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতা শ্রদ্ধেয় প্রীতিশ কুমার হালদার ও তাঁর স্ত্রী শ্রদ্ধাভাজন সুস্মিতা সাহা ‘সহি সালামতে’ দেশ ছেড়ে যেতে পেরেছেন কিনা।

আজ সে খবর নিশ্চিতভাবে পাওয়ায় আমরা হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম। কানাডায় তাঁরা ‘সুখে আছেন আপন মনে’। (সূত্রঃ https://cutt.ly/qrmzEKr )

আগামী এক দশক পর অবশ্যই আমাদের সময়ের এই নায়ক’কে টিভি চ্যানেলের পর্দায় ‘সফল যারা কেমন তারা’ অনুষ্ঠানে দেখতে চাই। এটা বাংলাদেশের আপামর জনতার জোরালো দাবী।

সময়ের কৃতিসন্তান মাননীয় প্রশান্ত কুমার হালদার, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার দিঘীরজান গ্রামে ‘পয়দা’ হয়েছিলেন। তাঁর বাবা প্রয়াত প্রাণনেন্দু হালদার ও ‘রত্নগর্ভা মা’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক লীলাবতী হালদার।

রত্নগর্ভা শিক্ষক মায়ের দুই ‘খ্যাতিমান’ সন্তান হলেন, শ্রদ্ধেয় প্রশান্ত কুমার হালদার ও শ্রদ্ধেয় প্রীতিশ কুমার হালদার। এই অতি মেধাবী দুই ভাই, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে ‘ব্যবসায়ে লুঠ প্রশাসন’ নিয়ে বিদ্যার্জন করেছেন।

গত বছরের অক্টোবরে, ‘অপমানের ভয়ে’ প্রাণপ্রিয় দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন ‘দানশীল’ এই গুণী ব্যক্তি। স্মর্তব্য, ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর তিনি এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান ‘দাতা’ নিজাম চৌধুরীকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে শীতার্তদের জন্য কম্বল দান করেন। (সূত্রঃ https://cutt.ly/TrmzVyg )

আমাদের দুর্ভাগ্য তাঁর মতো দানশীল ও মহৎপ্রাণ মানুষকে দেশে ধরে রাখতে পারিনি। তিনি এত দান এবং খয়রাত দেয়ার পরেও অক্টোবরে দেশ ছেড়ে চলে যান।

শুধু কি তাই! এই মহৎব্যক্তি দেশ ছেড়ে সুদূর কানাডায় চলে যাবার পর উচ্চ আদালত, গতকাল তিনি সহ তাঁর কুড়িজন সহচরের পাসপোর্ট জব্দ করার নির্দেশের মতো ‘বড় অপমান’ করেছেন। (সূত্রঃ https://cutt.ly/Ormz8lU )

আপনারাই বলুন, এই দেশের কি হবে? যেখানে ‘সম্মানিত-দানবীর-সমাজসেবী-সৎ ব্যবসায়ী’দের কোন সম্মান নেই। সেই দেশে ‘ব্যাওসা-বানিজ্য’ কিভাবে হবে!

তবে এসব নিয়ে ভাবার কিছু নেই। কে না জানে, ‘বানিজ্য বসতি লক্ষ্মী’। ‘কামেল আদমি’ বাবু প্রশান্তকে লক্ষ্মী উজাড় করে দিয়েছেন।

কি হিংসে হচ্ছে বুঝি ?

হিংসের কিছু নেই। আপনার দলে দলে আসুন আর ‘জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি’ হাসুন। শত হলেও মুরুব্বীরা বলেন ‘হাসি অব্যর্থ ওষুধ এবং হাসিমুখের জয় সর্বত্র’।

জয় হোক, একবিংশ শতকের মহারাজাদের জয় হোক।

বিঃদ্রঃ কানাডা প্রবাসী বাংলা ও বাঙালি অন্তপ্রান মানুষগুলো যদি পারেন তবে, ‘প্রশান্ত কুমার হালদার লুঠ বাহাদুর (প্রস্তাবিত)’কে সর্বতোভাবে বয়কট করুন, প্রতিহত করুন।……………………………………………………………………………….. গেরিলা ১৯৭১




1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*