বিশ্ব নারী দিবস : দেশান্তরি রোহিঙ্গা নারীদের না বলা কিসসা




বিশ্ব নারী দিবস ২০২০ : দেশান্তরি রোহিঙ্গা নারীদের না বলা কিসসা ———— 

শত শত চোখ আকাশটা দেখে, কাদা মাটি মাখা মানুষের ঢল, গাদাগাদি করে আকাশটা দেখে, নালিশ জানাবে বলো ওরা কাকে, যুদ্ধে ছিন্ন ঘর বাড়ি দেশ, মাথার ভিতরে বোমার বিমান, এই দূরবিসহ দিন কবে হবে শেষ ————-টেকনাফ, উখিয়া, কুতুপালং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অভিবাসীদের ঘুরে ঘুরে দেখছি আর মৌসুমী ভৌমিকের গানটি যেন কানের কাছে শুধু ভেসে আসছে —————–

বিশ্ব নারী ‍দিবস ২০২০  বিশ্বের সকল নারীরা সমস্বরে বলবে,  আমরা আজ সমানে  সমান, কিন্ত তা কি তারা বলতে পেরেছে??????? 

জীবনের দোলাচলে আমাদের নারীরা আজ অনেক বৈষম্যের মোকাবেলায় প্রতি নিয়ত যুদ্ধ করে চলছে, তেমনি আমাদের দেশে আশ্রয় দেওয়া রোহিঙ্গা নারীরাও, তারা এখন ভাসমান, তারা জানেনা কোথায় তাদের নিশ্চিত আবাসস্থল, তারা কি এভাবেই জীবন কাটা বে, নাকি আদৌ তারা নিজের দেশের মাটিতে ফিরতে পারবে ?????জীবন বড়ই অদ্ভুত  মনে হচ্ছে, যখন ওদের দেখি তারা দেশ বিতাড়িত হয়ে এদেশে অজানা, অচেনা, অনাস্থা, অনিশ্চিত জীবনে দিকে- পারি জমিয়েছে  শুধু নিজেদের আত্ন মযার্দা রক্ষার ভয়ে, সম্ভম টেকানোর দায়ে, কিন্তু এখানে তারা আরো ভয়াবহ নিষ্টুরতারা মধ্যে দিনাতিপাত করছে, মনে বার বার প্রশ্ন জাগে, মানবতার পাশে সবাই আজ বড়ই অস্থির হয়ে উঠে পড়ে লেগেছে, কিন্তুু সেই মানবতা তাদের জন্য যেন আশিরবাদ হয়ে উঠে, তারা যেন তাদের সঠিক গন্তব্য, সঠিক নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে পারে, তারা যেন জনসমুদ্রে ভেসে আরো ভাসমান না হয়, না হয় যেন ছিন্নমূল, যখন দেখি একদল কিশোরী সবে মাত্র কৈশোর পেরিয়েছে তারা তাদের সম্ভম বাঁচাতে বেদম ছুটছে, কিন্তু নিষ্ঠুর নিলজ্জ দৃষ্টি তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত ছোবল হানছে, সেই হায়নার ছোবল থেকে রেহাই পাচ্ছেনা ফুলের মত কিশোরীরা 

যাদের চোখে অনেক স্বপ্ন, জীবন গড়ার স্বপ্ন, সংসার সাজানোর স্বপ্ন, স্বপ্ন আর স্বপ্ন– স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে, তারা বয়ে বেড়াচ্ছে  শ্লীলতা হানির বোঝা, সেই বোঝা থেকে একদিন হয়তো তারা পরিত্রাণ পাচ্ছে ঠিকি কিন্তু স্বপ্ন ভঙ্গের  বেদনা তাদের তারা করে ফিরছে প্রতিনিয়ত, আমার দেখা একটি মেয়ে (ছদ্মনাম) পালকি জন্মগত ভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরী, 

প্রতিবন্ধকতা জয় করাই ছিল যার স্বপ্ন, যার মনোবল ছিল প্রখর কিন্তু হায়নাদের সেই ছোবল তাকে ঠেলে দিয়েছে আরো প্রতিবন্ধকতার দিকে।আমরা কি পারবো সেই কিশোরীদের স্বপ্ননীল ভালবাসার অংশ হতে, আবার তাদের স্বপ্নের রাজ্যে ফেরত পাঠাতে।  পালকী যার কথা বলছিলাম, এমন আরো অনেক পালকি আছে যাদের না জানা ব্যাথা নিয়ে তারা বয়ে বেড়াচ্ছো সারাটা মাস ময় বছর ময়, কেউ কোথাও নেই সেই ব্যাথা বেদনা লাঘবের । আজ বিশ্ব নারী দিবস, নারী মানে প্রথমে আমার মা, নারী মানেই  মায়ের গর্ভে থাকা বোন, নারী মানেই আমার জীবনের একমাত্র ভালবাসা আবাস স্থল, যার চোখে চোখ রেখে স্বপ্ন বুনি দিনের পর দিন বছরের পর বছর, আজ সেই নারী জাতি উপেক্ষিত, আজ নারী কেবল ভোগের সামগ্রী, কি শিশু, কি কিশোরী, কি যুবতী, কি বৃদ্ধা, বাদ পড়ছেনা কোন নারী, নারীতো নারী তার আবার বয়স, নারীরা কোন এক যুগে কি পারবে হতে সমানে সমান, আমরা কি পারবো তাদের দু:স্বপ্নের সময় গুলোকে রঙ্গিন স্বপ্নে পরিণত করতে? আমরা আবারো সেই স্বপ্ন ভঙ্গের যাএীদের সাথে সামিল হতে চাই যোদ্ধার মত, বলতে চাই থেমোনা তোমরা এগিয়ে চল তোমাদের স্বপ্নের দিকে, আমরা তোমাদের সহযোদ্ধা, আমরা তোমাদের সহযাএী, আমরাই তোমাদের অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসতে হাত বাড়িয়েছি………………………………Nargis Chowdhury.




Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*