পলিথিনের বিকল্প পাটের তৈরি ব্যাগের উদ্ভাবক মোবারক আহমদ খানের মতো বিজ্ঞানীরা বিশ্ব বদলে দেশের মাটিতে পড়ে থাকে

পলিথিনের বিকল্প পাটের তৈরি ব্যাগের উদ্ভাবক মোবারক আহমদ খানের মতো বিজ্ঞানীরা বিশ্ব বদলে দেশের মাটিতে পড়ে থাকে

সর্ববৃহৎ উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং বিমানের ভিতরকার দেয়ালের উপাদান তৈরিতে কাজ করতে গিয়ে একদিন তার মনে হল, আমি এখানে কি করছি! আমার সব গবেষণা, উদ্ভাবন তো বিদেশের এদের কাছে চলে যাচ্ছে, এদের কাজে লাগছে। আমার দেশের কাজে তো লাগছে না!
আমেরিকার সর্বোচ্চ সুবিধা ছেড়ে তিনি দেশে ফিরে আসলেন। বানালেন পলিথিনের বিকল্প পাটের তৈরি বিশ্বে চমক সৃষ্টিকারী সোনালি ব্যাগ। বানালেন পাটের তৈরি ঢেউটিন, পাট দিয়ে হেলমেট, টাইলস, গরুর হাড় থেকে উন্নত জিবানুকরন উপাদান, চিংড়ির খোসা দিয়ে বানিয়েছেন প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ, সামুদ্রিক শেওলা থেকে বানিয়েছেন উদ্ভিদের বৃদ্ধি সহায়ক সার, লালশাকের মতো সবজির উৎপাদন সময় কমিয়ে এনেছেন অর্ধেক।
পরিবারে তাকে সবাই চিনে খসরু নামে। বাল্যকাল থেকেই মেধাবী ছাত্র খসরুর আগ্রহ ছিল সাইন্টিফিক এক্সপেরিমেন্টের প্রতি। ছোটবেলায় বিজ্ঞান বইয়ের ছবি আঁকা পরীক্ষাগুলো বাসায় নিজে নিজে করে দেখতেন। কখনও সফল কখনও ব্যর্থ, ব্যর্থতা তাকে থামায়নি বরং গবেষণার প্রতি আরও আগ্রহী করে তোলে।
কাজ করেছেন জার্মানিতে ডিএএডি এবং অ্যাভিএ’র সহকর্মী হিসেবে, জাপানে জেএসএসএস, এমআইএফ এর ফেলো হয়ে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি) এবং অস্ট্রেলিয়ায় আইএইএ এর সহযোগী হিসেবে।
১৭ টি বই এবং একটি পেটেন্টসহ ৬০০ টির বেশি প্রকাশনার লেখক, সহ-লেখক।
তিনি পাট ভালোবাসেন। বলেন, আমি যেখানেই যাই, হাতে করে একগাছি পাট নিয়ে যাই। এইটা তো একান্তই আমাদের।
পাটের তৈরি পলিথিনের বিকল্প সোনালি ব্যাগ উনার আলোড়নসৃষ্টিকারী উদ্ভাবন। পরিবেশ রক্ষায় যেখানে দুনিয়া জুড়ে চলছে আন্দোলন, প্রায় বাহাত্তুরটি রাষ্ট্র আইন করে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে পলিথিনের ব্যবহার। সবাই খুঁজছে পলিথিনের বিকল্প। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বাজার বসে উন্মুখ হয়ে বসে আছে।
সোনালি ব্যাগ সেই জাদুর বিকল্প। সোনালি ব্যাগ, মাটিতে পুতে রাখলে এক থেকে ছয়াসের মধ্যে পচে যায়, পরে পরিণত হয় জৈব সারে। পানিতে ফেললে একমাসের মধ্যে পানিতে দ্রবীভূত হয়ে মাছের খাদ্যে রুপান্তরিত হয়ে যায়।
দুনিয়া পাল্টে দেয়া এই উদ্ভাবক বিজ্ঞানি মোবারক আহমদ খান।
সোনালি ব্যাগ উৎপাদনে গিয়েছিল বহু আগেই। কিন্তু তারপর? দুইহাজার দুই সালে পথিলিন ব্যাগ নিষিদ্ধ হয়েছিল। বাকিটা ইতিহাস। বর্তমান বাজারে পলিথিন ব্যাগের ছড়াছড়ি। বাজারে সোনালি ব্যাগের দেখা নেই। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশী পণ্য হিসেবে সোনালি ব্যাগের প্রচারণা নেই।
কিছুদিন আগে শুনেছিলাম এই বিজ্ঞানী অসুস্থ, জানি না এখন কেমন আছেন, কোথায় আছেন। জানি না তার উদ্ভাবিত সোনালি ব্যাগের ভবিষ্যৎ।
‘বাবু খাইসো’ নিয়ে মিডিয়া আলোড়িত হয়, ভাস্কর্য নিয়ে রাষ্ট্র তোলপাড় হয় আর মোবারক আহমদ খানের মতো মানুষরা বিশ্ব বদলে দেয়া পণ্য দেশের মাটিতে আবিষ্কার করে নীরবে পড়ে থাকে।
তবুও নির্লজ্জের মতো বলবো,
#থ্যাংকস_ফর_বিং_বাংলাদেশী
(Collected from Bangla Media)

কোটি কোটি ভারতবাসীর শেষ বয়সের সঞ্চয় LIC। কেন্দ্রীয় সরকারের ভুল নীতির কারনে আজ LIC ডুবতে চলেছে।

ডুবতে চলেছে LIC কোটি কোটি ভারতবাসীর শেষ বয়সের সঞ্চয় হল LIC। আজ সেই LIC নিজেই গভীর সঙ্কটের মুখোমুখি। কেন্দ্রীয় সরকারের ভুল নীতির কারনে আজ LIC ডুবতে চলেছে।

ডুবতে চলেছে LIC
কোটি কোটি ভারতবাসীর শেষ বয়সের সঞ্চয় হল LIC। আজ সেই LIC নিজেই গভীর সঙ্কটের মুখোমুখি। কেন্দ্রীয় সরকারের ভুল নীতির কারনে আজ LIC ডুবতে চলেছে।

অনিল আম্বানির রিলায়েন্স নাভালকে ঋণ দিয়েছিল রাষ্ট্রায়ত্ত IDBI ব্যাঙ্ক। রিলায়েন্স নাভাল উঠে গেছে সাথে IDBIকেও ডুবিয়েছে। IDBI এর পরিত্রাতা হিসাবে এগিয়ে এলো LIC, কর্পোরেট ঋণে জর্জরিত IDBI এর ৫১% শেয়ার ২১,০০০ কোটি টাকা খরচ করে কিনে নিল LIC। যদিও তাতেও IDBI এর সঙ্কট মিটল না। ঋণের ভারে আরও লোকসানে তলিয়ে গেল IDBI, IDBI কে বাঁচাতে ৯,৩০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করলো কেন্দ্রীয় সরকার যার মধ্যে ৪,৭৪৩ কোটি টাকা দিতে হলো LIC কে। বাকি টাকা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে শুধুমাত্র IDBI তেই ৩৫,০০০ কোটি টাকা লগ্নি করতে বাধ্য হলো LIC
একইভাবে PNB এর সাহায্যর্থে এগিয়ে এলো LIC। নীরব মোদীর ৮,০০০ কোটি টাকার ঋণের ঘটনায় লোকসানে জর্জরিত PNB তে বিপুল পরিমাণ অর্থ লগ্নি করতে বাধ্য করলো কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের বিলগ্নিকরণের ঠেলায় পরে কোল ইন্ডিয়া, NTPC, কর্পোরেশন ব্যাঙ্ক, স্টেট ব্যাঙ্কের শেয়ার চড়া দামে কিনতে বাধ্য হল LIC। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে ৫ বছরে মোট ২২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে বাধ্য হয় LIC। যার দরুণ ৬০ বছরে প্রথমবার মাত্র আড়াই মাসে ৫৭,০০০ কোটি টাকা হারালো LIC। এসবই আমার আপনার শেষ জীবনের সঞ্চয়ের জন্য জমানো টাকা।
কি ভাবছেন LIC আবার ঘুরে দাঁড়াবে?
খারাপ লাগলেও এটাই সত্য এই সরকারের আমলে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। লাভজনক প্রত্যেকটা সংস্থা লোকসানের অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছে এই সরকারের আমলেই। এমনকি অবস্থা এমনই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জরুরি তহবিল থেকেও টাকা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ব্যাঙ্ক মার্জারের নামে ঋণ “রাইট অফ” করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অটোমোবাইল থেকে টেক্সটাইল সব শিল্প এখন সঙ্কটে। বেকারত্বের হার বর্তমানে ৭% ছাড়িয়েছে। বিদেশী অর্থলগ্নি সংস্থাগুলো শেয়ার বেচে দেশ ছাড়ছে। অর্থনীতির হাল ফেরাতে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই। এখনও কাশ্মীর, ৩৭০, ধর্মীয় জিগির নিয়েই এরা পড়ে আছে।
*এবছর LIC পরের বছর কি PF এর পালা। কারন PF ফান্ডেও প্রচুর টাকা প্রতিনিয়ত জমা হয়। এই দুটো যদি মুখ থুবড়ে পড়ে ভারতের ৯০% মানুষের শেষ জীবনের সঞ্চয় শেষ হয়ে যাবে।*
“JOY SREE RAM” ধ্বনি দিয়ে আর দেশ বাঁচানো যাবে না।
মোদী এন্ড কোং দেশের অর্থনীতির বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। তাই দেশের জনগণকেই সুস্থ স্বাধীনতা স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করে এই পাপ কে দেশ থেকে বিদায় করতে হবে।………………………………….. Anupam Patra.

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্হা ‘পার্ক’র “মাক্স পড়ুন, করোনা থেকে বাচুন” সচেতনতা অভিযান

দেশান্তরি রোহিঙ্গাদের কিসসা/Rohingya Refugees Obscure

মাক্স পড়ুন, করোনা থেকে বাচুন” – CVID-19 Awareness Program for Rohingya Refugees.
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্হা ‘পার্ক’ Rehabilitation Centre for Prostitutes and Rootless Children (PARC) ও দেশান্তরি রোহিঙ্গাদের কিসসা/Rohingya Refugees Obscure এর আয়োজনে উখিয়া, বালুখালি, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৮ই, ব্লক ৬৭ তে জন সচেতনতা মূলক “এওয়ারনেস রাইজিং সেশন” অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্যাম্প ৮ই,র ১৫ টি ব্লকের স্বেচ্ছাসেবী/ স্বেচ্ছাসেবক গন উপস্থিত ছিলেন। সকলের স্বঃতপূর্ত উপস্থিতি ও আলোচনায় কোভিড-১৯, করোনা মোকাবেলা ও সঠিকভাবে  মাক্স পরা, সঠিক নিয়মে হাত ধোঁয়া, বাড়ি ঘর চারপাশে  পরিস্কার পরিছন্ন রাখা, পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত হাত ধোঁয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

দেশান্তরি রোহিঙ্গাদের কিসসা/Rohingya Refugees Obscure
দেশান্তরি রোহিঙ্গাদের কিসসা/Rohingya Refugees Obscure

উপস্থিত রোহিঙ্গারা বলেন তাঁরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিস্কারভাবে থাকার চেষ্টা করেন এবং প্রতিবেশিদেরকে ও সে সম্পর্কে তারা বলেন।
উক্ত এওয়ারনেস রাইজিং সেশনে উপস্থিত ছিলেন দেশান্তরি রোহিঙ্গাদের কিসসা/Rohingya Refugees Obscure রিসার্চার সৌরভ বড়ুয়া এবং পার্ক এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুপম বড়ুয়া ।

সরকারের পোষা সাপ কুমীরদের আটকানোর থামানোর দায়ীত্বটা তো সরকারেরই, ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নয়

সরকারের পোষা সাপ কুমীরদের আটকানোর থামানোর দায়ীত্বটা তো সরকারেরই, ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নয়
সরকারের পোষা সাপ কুমীরদের আটকানোর থামানোর দায়ীত্বটা তো সরকারেরই, ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নয়।
তারা কেন নিজের জানের রিস্ক নিয়ে এই অসুরদের মুখোমূখী হবে? আওয়ামী নেতারা আকণ্ঠ জলে নেমে কী পরিমান রক্ত মাংশ দুধ কলা খাইয়েছেন এই সাপ কুমীরদের আমরা দেখেছি। সরকার কারো বাঁধা কারো পরামর্শ মানতে রাজী নয়। বারবার সতর্ক করা হয়েছে, এরা বিষাক্ত সাপ, এরা কুমীরের জাত, এদের সাথে জলে নেমে পিরিতি ভাল না। জীবন্ত বিনা চিবিয়ে গিলে ফেলবে, বিষাক্ত ছোবল মারবে মাথায়। সরকার আদরে আহলাদে বিগলিত হয়ে কুমীরের বাচ্চাদের মাথায় হাত বুলাতেই আছে বুলাতেই আছে। বাপরে বাপ! দেশ চলবে মদিনা সনদে, কোরান বিরোধী কোনো আইন এ দেশে হবেনা। মসজিদে মসজিদে সকল শহর সারা দেশ ভরে ফেলবো। কোণায় কোণায় ইসলামী সেন্টার দেবো। অকারণে অপ্রাসঙ্গীক হলেও কেউ না জিগাইলেও কথায় কথায় ইসলাম কিন্তু শান্তির ধর্ম’। ইসলাম সন্ত্রাস সাপোর্ট করেনা। দুনিয়ায় আসলেই ইসলাম সকল ধর্মের শ্রেষ্ট ধর্ম। একমাত্র ইসলাম ধর্মই দিয়েছে নারীর সমান অধিকার। এই দেশে শিক্ষার প্রচলন হয়েছে কউমি মাদ্রাসার মাধ্যমে। কউমি মাদ্রাসায় জিহাদী সন্ত্রাসী ধর্ষক জন্মায় না, কউমি মাদ্রাসা দেশপ্রেমীক সু নাগরিক তৈরি করে। আগামীতে এই দেশের শাসন ভারের দায়ীত্ব নিবে কউমি মাদ্রাসার আলেমরা। এগুলো সব বাচাল আওয়ামী মন্ত্রীদের কথা। “মৌলানা আহমদ শাফী ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিপক্ষে সদা জাগ্রত সদা সত্যবাদী ইসলামের অতন্দ্র প্রহরী এক নির্ভীক সৈনিক ছিলেন”। দেশের আইন সংবিধানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, যে শফি ফতোয়া দিয়েছিল মানুষকে প্রকাশ্যে খুন করার সেই শফিকে নজির বিহীন এই সার্টিফিকেটটা দিয়েছেন বড় পুলিশ অফিসার বেনজির সাহেব। একজন খুনের হুকুম দায়ীর সাথে বসে বড় বড় জিলাপী, রসমালাই, মিষ্টি রসগোল্লা, হরেক রকমের ফুল ও ফলের বাহার সাজিয়ে কি মহান ইফতার পার্টি সরকারী দলের নেতার।
এক একজন হুজুরের দুই ঘন্টা ওয়াজের তথা নারী অপমান, যৌন সুড়সুড়ি আর মঞ্চে বসে অশ্লীল বাচনভঙ্গীর গান শুনানোর দাম দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। এক একটা নোংরামী ওয়াজের সিডিউল পেতে আড়াই মাস অপেক্ষা করতে হয়, এদের বুকিং দেয় কে? টাকাটা আসে কোত্থেকে? অপর দিকে একজন ইউনিভার্সিটি প্রফেসারের দুই ঘন্টার বেতন কতো? এমনি এমনি কি আর এই মোল্লারা রাষ্ট্রের বিরোদ্ধে হুংকার দেয়? নিজে বাঁচে ভিক্ষের টাকায় আর রাষ্ট্রকে দেয় হুমিকি , “ আমার ট্যাক্সের টাকায় এই দেশে মূর্তি ভাস্কর্য বানাতে দেবোনা, দেবোনা দেবোনা”। কাজ করে যদি পেট পালতে হতো তাহলে রাষ্ট্রের বিরোদ্ধে হুংকার দেয়ার শক্তি বা সময় তাদের হতোনা।
আওয়ামী লীগ নেতারা প্রতারণা করেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে সর্বোপরী মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে। প্রতারণা আর ভণ্ডামীরও তো একটা সীমা আছে। তারা সেই সীমা অতিক্রম করে ফেলেছেন অনেক আগে, বঙ্গবন্ধুর দেয়া সংবিধানে একই সাথে ধর্মনিরিপেক্ষতার সাথে রাস্ট্রধর্ম ইসলাম আর বিসমিল্লাহ জুড়ে দিয়ে। তাই আজ এই দূর্দিনে নির্লজ্বের মতো মুখে কুলুপ এঁটে চুপ হয়ে আছে্ন। দেশ ও জাতির মান ইজ্জত রক্ষার দায় নিতে বাধ্য হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী ছাত্রলীগ আর যুবলীগের মুজিব সৈনিকেরা। আমি তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
আলোচনার জন্যে প্রশ্ন রেখে গেলাম, ছাত্রলীগ আর যুবলীগ যদি রাস্তায় না নামতো, যদি তারা মৌলবাদীদের ধমক না দিত, যদি তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মতো নীরব থাকতো তখন ভাস্কর্য ইস্যুর কী হতো? এখনই বা কী হবে বা হতে যাচ্ছে? কোরান হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে আলেম সমাজ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। সরকারের পিছু হঠার তো কোনো সুযোগই নেই, যদি পিছু হঠে যদি কোনো ছাড় দেয় তাহলে আওয়ামী লীগের মৃত্যু অনিবার্য।………………………………………………. Akash Malik.

অপূর্ব এই জায়গাটা !!! ওয়াকলী গ্রিনবেল্ট ……….. গুলজাহান রুমী, অটোয়া, কানাডা।

অপূর্ব এই জায়গাটা। ওয়াকলী গ্রিনবেল্ট, গুলজাহান রুমী, অটোয়া, কানাডা
অপূর্ব এই জায়গাটা। ওয়াকলী গ্রিনবেল্ট ……………………………………………………গুলজাহান রুমী, অটোয়া, কানাডা।
অপূর্ব এই জায়গাটা। ওয়াকলী গ্রিনবেল্ট । এই জায়গাটায় এত গিয়েছি গত পনের বছর, এখানটার প্রতিটা অলিগলি আমাদের চেনা। কিন্তু এবার মনে হল কিছুই চিনিনা, কিছুই দেখিনি চক্ষু মেলিয়া। এত বছর ধরে আমরা কেবল এর হৃদকেন্দ্রটা দর্শন করেই চলে যেতাম। পাতা ঝরে যাবার পরে গাছবৃক্ষ, লতাপাতা নিঃস্ব হয়ে যাবার সময়টা অক্টোবর-নভেম্বরে আসিনি কখনও। এই বছরই এই সময়টাতে প্রথম আসা। প্যানডেমিক না হলে হয়তো এবারেও এখানে আসতামনা, চলে যেতাম এরই কাছাকাছি মেরব্লু বগে। তাহলে এই গ্রিনবেল্টের অঙ্গে যে এত রূপ এত বিশালতা তা বুঝতে পারতামনা কোনোদিনও । ওয়াকলী থেকে নাতিউচ্চ পাহাড় বেয়ে বেয়ে সুদূর এন্ডারসন রোড পর্যন্ত গিয়েছি কিন্তু কূলকিনারা পাইনি, চারদিকে ছড়ানো এই বেল্টের বিস্তার। এসব গ্রিনবেল্ট এই দেশের শহর পরিকল্পনারই অংশ। যেন নাগরিক যন্ত্রণার উপশমে মৃতসঞ্জীবনী এইসব গ্রিনবেল্টগুলো। নাগরিক যন্ত্রণা থেকে বেরিয়ে একটুখানি প্রকৃতির কাছে বুকভরে নিঃশ্বাস নেওয়া, ক্ষণিকের জন্য প্রাগৈতিহাসিক মানুষের মত প্রাচীন পরিবেশটা চোখেমুখে মেখে নেওয়া, সারা অঙ্গে, সারা অস্তিত্বে মেখে নেওয়া। তারপর প্রফুল্ল চিত্তে ঘরে ফেরা। সামারে এখানে হরেক রঙ্গের বনফুলের ছন্দেছন্দে আনন্দে দোল খাবার দৃশ্যটা মন কাড়ে যেকোনো বেরসিকেরও। আমার হাজবেন্ডের এই সবুজের রাজ্যে আসার আগ্রহ আমার বাচ্চাদের চেয়ে কম ছিলনা। এর একটা বিশেষ কারণ এইসব বুনোফুল। কোনো জংলি ফুলের ঝাড় দেখিয়ে বলতো, এই দেখো এস্টারের আদিমাতা এটি। আমাদের বাগানে ফল সিজনে যে হাইব্রিড এস্টারগুলো আছে কয়েক রংগের, এদের সকলেরই আদিমাতা এটি। আর ঐযে দেখা যাচ্ছে আরেকটা মনকাড়া রঙ্গের একই জাতের ফুলটি, এটা হলো বুনো এস্টারের প্রাকৃতিক হাইব্রিড। মানুষ করেনি এটা, প্রকৃতি তার আপন খেয়ালে করেছে। পরে সে আমাকে জিজ্ঞেস করে, তুমি কি বলতে পারবে এই নতুন রঙ্গের এস্টারটা কতদিন হবে দুনিয়াতে এসেছে ? আমি বেকুব বনে যাই এই প্রশ্নে, ধমকের সুরে বলি, আমি কেমনে বলবো ? ধারণা করে বা বুদ্ধি খাটিয়ে বল, চেয়ে দেখ চারদিকে কেবল নীলের কাছাকাছি পারপুল রঙ্গের এস্টারে ছেয়ে আছে, কিন্তু এই একটামাত্র কিউট পিংকি এস্টার, এটা কেমনে এলো? আমাদের বাগানেতো এই রঙ্গের কাছাকাছি একটা ঝোপা আছে ? সে বলে, সেটা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং করা জিনবিজ্ঞানীদের হাইব্রিড। এজন্য অনেক কম্পেক্ট ও প্রায় একফিট উঁচু। আধুনিক কালের বাগানের জন্য ফুলের হাইব্রিড জাত সৃষ্টি করা হয় নানাদিক বিবেচনা করে।কিন্তু এটা দেখো, তিনফিট উঁচু আর অন্যান্য জংলি এস্টারের মতই ছড়ানোছিটানো ডালপালা। এর মানে এটার জন্ম প্রকৃতির খেয়ালে হয়েছে। প্রকৃতি আমরা মানুষের বাগানে চাষের কথা কেয়ার করেনা। ন্যাচারের অন্ধ প্রক্রিয়া বলতে পার। দ্বিজেনদা’র বইগুলো পড়ে দেখলে বুঝতে পারবে। ভাল কিছুইতো পড়তে চাওনা, কীকরে প্রকৃতি বুঝবে ? আমি মুখ ঝামটা দেই, তোমার মত গাছপালার ছাওডিম আমার জানার দরকার নাই, যত্তসব ! সে বলে, না না, পড়তে হবেনা দ্বিজেন শর্মার বই। হুমায়ূন আহমেদ পড়। উতল হাওয়া পড়। পড়ে পড়ে বায়োবীয় হয়ে যাও। হাওয়ামে উড়তা যায়েংগে…… কিন্তু ঝগড়াটা বেশি জমাতে পারলামনা, এত বাউলা বাতাস বইছে আর ফেয়ার তাপমাত্রা শরীর-মনকে চনমনে করে রেখেছে। নাহলে দেখাতাম আমার প্রিয় লেখকের গিবত করে কার এমন বুকের পাটা ! বাচ্চারা যখন ছোট ছিল তখন প্রতি উইকেন্ডে যেতাম সেখানে। তখন দেখতাম, মাত্র একটা বা দুইটা গাড়ি পার্ক করা। কখনও গাড়ি মালিকের সঙ্গে দেখা হতনা । এত সবুজ গহীন জঙ্গল,পায়ে হাঁটার পথগুলো নানাদিকে চলে গেছে। সেইসব তেপান্তরের পথ ধরে গোটা কতেক পর্যটক কোথায় যে হারিরে গেছে তা ঠাহর করার উপায় নাই। শহরের পরিধিতে এত বড় গ্রিনবেল্ট কিন্তু বাহির থেকে বোঝা যায়না, আবার সবুজের ভেতরে ঢুকে গেলে ঠাহর করার উপায় নাই যে, একটা আলো-ঝলমল আধুনিক যান্ত্রিক শহরের শিরার ভেতর এক গা-ছমচম প্রাচীন নিরবতার বসবাস। সেটাতে ঢুকে গেলে শহরের সমস্ত ধাতব শব্দগুলো যেন কোথায় হারিয়ে যায়। নাগরিক কোলাহলের কোথাও কোনো অবশেষ নাই, কেবল প্রকৃতির নম্র ধ্বনি, পাখির কাকলি, কাঠবিড়ালীর দৌঁড়ঝাপ, কাছের ডোবায় বুলফ্রগের ঘ্যাঙরঘ্যাঙ। মাঝারী সাইজের চিত্রা হরিণের দেখা মিলতো কচিত। একবার আমার মেয়ে একটা সদ্যজাত ফুরফুরে হরিণ শাবকের পেছনে দৌঁড়াতে গিয়ে প্রায় তিনফিট ঘাসের রাজ্যে হারিয়ে যায়। আমি চিৎকার দিয়ে উঠি। ওর বাবা গিয়ে ওরে ঘাসের আড়াল থেকে বের করে আনেন। এত নিশ্চিদ্র তৃণ, দেখতে ঠিক আমাদের আধপাকা ধানিজমির মত বাতাসের সাথে খেলছে। সিডহেডগুলো পাকাধানের ছড়ার মত। আমাদের দেশের অবারিত ধানের মাঠে বাতাস খেলার দৃশ্যটার মতই লাগে। আমার বাচ্চাদের ছোটবেলা অনেক স্মৃতি এখানে। আমার অনেক ভয় হত ভেতরে যেতে, তাই বাচ্ছাদের নিয়ে আমরা বেল্টের কেন্দ্রের কিঞ্চিৎ উঁচু টিলাটার উপরে ও এটার চারপাশের রাস্তা দিয়ে হাঁটতাম। প্রায় তিন কিলোমিটার পথ কাটতে হত টিলাটাকে একপাক দিতে।অনেক চওড়া পথ, গ্রাবেল বিছানো। দুইপাশে বনফুলের মেলা। খরগোশগুলো রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে আমরা আগন্তকদের দেখে, বিপদ ঠাওরালে পালিয়ে যায়। বাচ্চারা অনেক ছোট ছিল তখন।ওরা উইকেন্ড এলেই বলতো, মা, পেইরি ল্যান্ডে যাব।আমি যেতে চাইতামনা,বলতাম, অন্য কোথাও যাই। কিন্তু বাচ্ছারা এখানেই যেতে চায়। ওদের বাবা বলতো, আরে আসোতো, কেনেডার জঙ্গলে বিষধর সাপ নেই, মানুষখেকো বাঘও নেই। আমার ছেলেটা পোকা ধরবে বলে নেট নিয়ে দৌঁড়াচেছ, সাথে টুনটুনিটাও। আহ! কী মায়াময় দৃশ্য ! এখনও এই ছবিটা ইমাজিনেশনে চলে আসে চোখের সামনে । মনে হয় বাচ্ছারা ছোট থাকলেই ভাল । মনটা থাকে আবুধি। সামান্য একটা ঘাসফরিং এদের অপার আনন্দ দিতে পারে। চোখের সামনে যেন সেই দৃশ্যটা দেখতে পাই, ছেলের হাতে লম্বা লাঠির মাথায় নেট আর টুনটুনির হাতে ঘর থেকে লুকিয়ে আনা প্লাস্টিকের কন্টেইনার। কী আনন্দে, কী মহা উৎসাহে দুইজন এই গহীন জঙ্গলে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিত পোকা পতঙ্গ দেখতে দেখতে । বাচ্ছাদের অল্পতে আনন্দ দেখলে মা-বাবার প্রাণ জুড়ায়। জাগতিক বাস্তবতার বাইরে বাচ্ছাদের এই আনন্দ অপার্থিব মনে হয়। কিন্তু ওরা বড় হয়ে গেলে এই ডিজিটাল যুগের বাচ্ছাদের কিসে যে আনন্দ হয় সেটা বুঝতে আমাদের ঘাম ঝরে।
এই জঙ্গলটার কেন্দ্র গোলাকার আর ধীর লয়ে উঁচু হতে হতে অনেক উপরে উঠে গেছে। পুরো টিলাটাই নানা জাতের তৃণঘেরা। কোথাও সমান উচ্চতার ঘাসগুলো মাথায় সিডহেড নিয়ে কার্তিকের ধানিজমির মত বাতাসের সাথে দুলতে থাকে।আমরা অনেকবার টিলার উপরে চড়েছি এই দ্শ্য চোখ জুড়িয়ে দেখার জন্য। কোথাও আবার বুনোফুলের রাজ্য। প্রকৃতির নন্দন কানন। টিলাটাকে চক্কর দিয়ে হাঁটার জন্য মেঠোপথের আদলে গ্রাবেল বিছানো। পুরো টিলা একবার চক্কর দিয়ে আসতে তিন কিলোমিটার হাঁটতে হয়। কিন্তু ক্লান্তি আসেনা। বুকভরে নির্মল বাতাস নেয়া যায় বলেই মনে হয় ক্লান্তি ধরেনা। লেইট স্প্রিং থেকে আরলি ফল সিজনে টিলাটার বাইরের চারপাশ মনে হবে গভীর জঙ্গল। আমাদের প্রত্যেক সমারেই যাওয়া হয় এখানে কিন্তু ঐযে মেঠোপথ প্রায় তিন কিলোমিটারের মত করে রেখেছে এতটুকুন হেঁটেই চলে আসতাম। বাচ্ছারা বড় হওয়ার পরও গিয়েছি অনেক ভিন্ন ভিন্ন সিজনে। তেমন আগন্তকের ভিড় দেখিনি কোনোদিন। কিন্তু এইবার অটামে গিয়ে অবাক হলাম লোকসমাগম দেখে ! বেশ দূর থেকেই বোঝা যাচ্ছে গাড়ির পার্কিং লাইন দেখে। ছোট বাচ্চা, নিনি, দিদু কেউই বাকি ছিলনা। সব বয়সি লোকের সমাগম ছিল, কিন্তু জায়গায়টা অনেক বড়, তাই এত মানুষের সমাগম ভেতরে ঢুকে পড়লে বোঝা যায়নি। ঐ যে বললাম না,তিন কিলোমিটার মেঠোপথ হেঁটেই চলে আসতাম বরাবর।কিন্তু এইটার ভেতরে চারপাশে যে বনভূমিগুওলো যেন অনন্তের দিকে ছড়িয়ে গেছে উওরদক্ষিণ, পূর্ব পশ্চিম সব দিকেই সেইসব এলাকাগুলো এতই নিশ্চিদ্র যে কোনোদিন ঢুকিনি অজানার পথে। যদিও পায়েহাঁটা সরু পথ চলে গেছে বনানীর অন্দরে কিন্তু আমার সাহস হয়নি যেতে। মাঝে মধ্যে দেখতাম সাইকেলিষ্টগুলো চড়ুইপাখির মত ফুড়ুৎ করে চোখের পলকে হারিয়ে যাচ্ছে সেইসব পথ ধরে। এবারে দেখলাম প্রকৃতির আরেক শিল্পকর্ম। চিরহরিৎ পাইনবৃক্ষ ছাড়া বৃক্ষশাখের সকল পত্র বৃন্তচ্যুত হয়ে সারা বনভূমি ছিন্নপত্রের গালিচা হয়ে গেছে।ঝরে গিয়েও পাতায় রঙের বাহার ফিকে হয়ে যায়নি। যেন নকশিকাঁথা বিছানো। আর পত্রহীন বৃক্ষগুলো যেন কোনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা শূন্যতার শোকসভা। আমরা দুইজন প্রায় দশ কিলোমিটার হেঁটেছি পত্রশূণ্য বনভূমির নানাপথ ধরে। একটানা এত দীর্ঘপথ কোনোদিন হেঁটেছি মনে পড়েনা। শখের বশে এত পথ হাঁটতে গিয়ে একবার মনে হল আর পারিনা, পাগুলো যেন অচল হয়ে পড়ছে।মনে হল যেন পায়ের তলায় শিকর গজিয়ে মাটিতে চারিয়ে গেছে,টেনে তুলতে পারছিনা। ইচ্ছে হয়েছিল, আকাশের পানে দুইহাত তুলে আঙ্গুল্গুলো বৃক্ষশাখের মত ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকি মানুষবৃক্ষ হয়ে। এর পরও গ্রিনবেল্টের সামান্যই দেখা হল। এখন প্রকৃতিতে হেমন্তের শূন্যতা। আরলি ফলে যেতে পারিনি বলে খুব অফসোস হচ্ছে, কেন গেলাম না। ফল সিজনে পাতাদের বিয়ে হয় ।গাছেগাছে পাতাদের বিয়ের অপূর্ব সাজ দেখা থেকে বঞ্চিত হলাম এই গ্রিনবেল্টটার। আবার এক বছর পর দেখা হবে যদি সময় পাই আর আসা হয় এখানে।অবশ্য এই সিজনে এদেশে যেদিকেই চোখ যায় কেবল রঙের মেলা আর আউলা বাতাসের মোহন বাঁশির সুর। আমাদের শহরের অনেকেই তখন গাতিনো পার্কে যায়। চল্লিশ কিলোমিটার দৈর্ঘ গাতিনো পার্ক। জলাশয়গুলোর পাথরের চাঙ্গড়ের উপর দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে, সেলফি নিতে কারনা মন চায়। ।কানাডায় ম্যাপল পাতা বলুন, অক বা বার্চবৃক্ষ বলুন ফল বা অটাম সিজনে চোখ ধাঁধানো রঙ্গিন হয়ে যায়।একই গাছে কখনও দুই রঙের রঙ্গধনু দেখা যায়। দূরের পাহাড়ে তাকালে মনে হয় আগুনের হলকা। এক ভদ্রলোক কানাডার ফল সিজন নিয়ে একটা সত্যি গল্প বলে আমাদের হাসিয়েছিলেন খুব। চমৎকার গল্পবাজ তিনি। বহুবছর আগে কল্লাকাটা পাসপোর্ট নিয়ে তিনি অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম কানাডায় আসেন। ল্যান্ড করার জন্য মন্ট্রিয়ল মহানগরীর উপর দিয়ে প্লেনটা যখন ক্রমাগত চক্কর খাচ্ছে তখন পড়তি বিকেলের সোনালি আভায় গাছগাছালি বনবনানীর এমন রঙ্গধনু দ্রশ্য দেখে তার নাকি হেলুসিনেশন হয়। তার কাছে মনে হয়, প্লেনটা ভুল করে বেহেশতের বাগানে ঢুকে পড়েছে, এখন প্লেনটা ল্যান্ড করতে পারলেই তিনি সোজা জান্নাতুল ফেরদৌসে প্রবেশ করবেন। কাঁচের জানালা দিয়ে তিনি নাকি তালাশ করছিলেন সিদরাতুল মুনতাহা বৃক্ষটির যেটার ডালডালে ঝুলন্ত পরীরা রয়েছে পাতার মত।কয়েক মিনিটের জন্য তিনি নাকি ভুলে গিয়েছিলেন তার কল্লাকাটা অবৈধ পাসপোর্টের দুশ্চিন্তার কথা । অনিশ্চিত এক ভবিষ্যতের কথা। আগের দিনে ইন্টারনেট ছিলনা, ইউরোপ আমেরিকার প্রারম্ভ হেমন্তের বাহার খুব কম লোকই দেখেছে। অতএব রঙ্গিন মন থাকলে হঠাৎ চেনা প্রকৃতির বাইরে অন্য দেশের প্রকৃতিতে এই অপরূপ রূপ দেখে হেলুসিনেশন হতেই পারে। আমার হাজবেন্ডেরও নাকি হয়, মনের ভেতর স্বর্গীয় অনুভূতির হাওয়া খেলে, সারা ধমনীর রক্ত নাকি পু্লকে শিহরিত হয়। একদিন তাকে জিজ্ঞেস করলাম,কওতো দেখি, পাতা কেন রঙ্গিন হয়, গাছের কেন এমন বিয়ের সাজ হয় ?বলতে নাপারলে সারা জীবিন ধরে তোমার এই প্রকৃতিপ্রেম আর বৃক্ষপ্রীতি ষোলআনাই বৃথা,বুঝলে ? ভেবেছিলাম, এমন কঠিন প্রশ্নে ওকে জব্দ করে দিতে পারলাম। যেহেতু ওর সায়িন্স ব্যাকগ্রাউন্ড নয় তাই বলতে পারবেনা । দ্বিজেন শর্মা নাপড়ার খোটা এবার লেবু কচলে দেবার মত করে চিপে দেব।প্রশ্ন করে মৃদু হাসলাম। কিন্তু না। সে বলে, এটা ক্লোরোফিল, জ্যান্তফিল ও বিটা ক্যারোটিনের হেরফেরের জন্য হয়। পাতার জীবনচক্রে কাজ করে এক ধরনের জারক রস বলতে পার। আমাদের রক্তে যেমন হিমোগ্লোবিন,শ্বেতকণিকা, লোহিতকণিকা হেরফের হলে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। রঙ বদলানোটা আসলে পাতার মৃত্যুঘন্টা। যখন স্পৃং সিজনে গাছে নতুন কুঁড়ি আসে তখন বাড়ন্ত সময়ে সবুজ ক্লোরোফিল পিগমেন্টের মাত্রা বেশি থাকার কারণে পাতার রঙের সবুজ সক্রিয় থাকে। পাতায় কিন্তু কমলা রঙের বিটা ক্যারোটিন ও হলুদ জ্যান্তফিলও থাকে অল্প। হেমন্তের আগমনে তাপমাত্রা যখন কমতে শুরু করে তখন পাতায় ক্লোরোফিলের মাত্রা কমে যায়। পাতাগুলোতে তখন জ্যান্তফিল ও বিটা ক্যারোটিন সক্রিয় হয়ে গেলে পাতার রঙ বদলে যায়। এজন্য পাতার রঙ হলুদ হয়, কমলা হয়, কোনোটা আবার কমলা ও হলুদের জারকে মিলেমিশে হয়ে যায় টুকটুকে লাল। যত নয়নকাড়া সুন্দরই দেখাক আদতে পাতার মৃত্যুঘন্টা এই বিদায়ের সাজ। দেখতে দেখতে দুই তিন সপ্তার মধ্যেই সব পাতা ঝরে যায়। একসময় তুষারঝড়ে তলিয়ে যায় বনানীতে পাতার নকসিকাথা। বৃক্ষশাখা মুড়িয়ে যায় স্ফটিকের মত স্বচ্ছ আইস কখনও। স্টিটলাইট বা নক্ষত্রের আলো প্রতিফলিত হয়ে সেই স্ফটিকের গায় রাতকে করে রাখে অপার্থিব নান্দনিক জগতের মত। হিমের মাত্রা বেড়ে গেলে তুষারের কাফনে মোড়া পৃথিবীটা যেন পড়ে থাকে মহাশূন্যের চাদরের তলায়। আমরা দিন গুনতে থাকি কখোন আসবে বরফ গলার দিন, বনানীতে নাচবে সবুজ পাতা, হরেক জাতের পাখি গাইবে নব-বসন্তের গান।

শ্রমবাজারের ঘাটতি পূরণ ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী ৩ বছরে কানাডা সরকার ১২ লাখ অভিবাসী নিবে

শ্রমবাজারের ঘাটতি পূরণ ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী ৩ বছরে কানাডা সরকার ১২ লাখ অভিবাসী নিবে

মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে শ্রমবাজারের ঘাটতি পূরণ এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী তিন বছরে ১২ লাখেরও বেশি অভিবাসী গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে কানাডা সরকার। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) আল-জাজিরার একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) কানাডার অভিবাসন মন্ত্রী মার্কো মেন্ডিসিনো সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ২০২১ সালে ৪ লাখ ১০০০, ২০২২ সালে ৪ লাখ ১১ হাজার এবং ২০২৩ সালে আরও ৪ লাখ ২১ হাজার নতুন স্থায়ী বাসিন্দা গ্রহণ করবে।

অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মার্কো মেন্ডিসিনো বলেন, কানাডার আরও বেশি কর্মী দরকার। আর সেটা পূরণের উপায় হচ্ছে অভিবাসন। বৈশ্বিক মহামারির আগে কানাডার অর্থনীতি অভিবাসনের মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ছিলো আমাদের সরকারের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য কিন্তু এখন সেটি অত্যাবশ্যক হয়ে উঠেছে।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগারির গবেষক রবার্ট ফ্যালকনার এক টুইটে জানিয়েছেন, কানাডা সরকার যদি তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায়, তাহলে আগামী তিন বছরে দেশটির অভিবাসী গ্রহণের পরিমাণ হবে ১৯১১ সালে রেকর্ড শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ।

জানা গেছে, ২০২১ সালে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ জন সম্পূর্ণ নতুন অভিবাসী গ্রহণ করবে কানাডা। ইতোমধ্যেই পরিবারের সদস্য রয়েছে এমন ব্যক্তি যেতে পারবেন ১ লাখ ৩ হাজার ৫০০। শরণার্থী ও অন্য সুরক্ষিত ব্যক্তি ৫৯ হাজার ৫০০ জন এবং আরও সাড়ে পাঁচ হাজার অভিবাসীকে মানবিক কারণে গ্রহণ করা হবে।

শরণার্থী গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পুনর্মিলিত হওয়ার সুযোগপ্রত্যাশীদের আশ্রয়ের ক্ষেত্রে কানাডা বহু বছর ধরেই রোল মডেল হয়ে রয়েছে। তবে করোনা সংক্রমণ রোধে গত মার্চে বেশিরভাগ অভিবাসীর জন্যই সীমান্ত বন্ধ করে দেয় দেশটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত ১ লাখ ২৮ হাজার ৪২৫ জন নতুন অভিবাসীকে আশ্রয় দিয়েছে কানাডা, যা এ বছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের চেয়েও কম।

আবেদন ও বিস্তারিত দেখুনঃ

Canada government plans to bring in more than 1.2 million immigrants

Canada government plans to bring more than 1.2 million immigrants next 3 years

Global Scholarship | Global Jobs Canada

CANADA Ranks #1 for Quality of life & One of the Safest Country in The World

Canada ranks #1 in the world for quality of life for the 4th year in a row Canada was recently ranked the second most beautiful country in the world, and now it is being hailed […]

৭৪ বছর বয়সী নিখিল বরণ বড়ুয়াকে খুঁজে পেতে সাহায্য করুন, শেয়ার দিয়ে ছড়িয়ে দিন

খুঁজে পেতে সাহায্য করুন,
শেয়ার দিয়ে ছড়িয়ে দিন
“”””””””””””””””””’
নিখিল বরণ বড়ুয়া নামে ৭৪ বছর বয়সী ছবির এই ভদ্রলোক আজ সকাল ৬ঃ৪০ টায় বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। তিনি চট্টগ্রামের জামালখান এলাকার CPDL থেকে বের হয়েছেন।
পড়নে ছিল সাদা শার্ট আর নীল লুংগি। গায়ের রং ফরসা। স্মৃতিশক্তি দূর্বল। বাসার ঠিকানা মনে করতে পারেন না। আগে তিনি কেডিএস গ্রুপে চাকরি করতেন।
ওনার ছেলের নাম ইমন, মেয়ের নাম এ্যানি– এইনাম ওনি স্মরণ করতে পারে।
Retirement-এর পর থেকে উনার ছেলে ইমন, মেয়ে এ্যানি, একথাগুলো মনে থাকে ।
সন্ধান পেলে দয়া করে জানাবেন, যোগাযোগঃ দেবদুলাল বড়ুয়া 01819313509,
কাজল বড়ুয়া ০১৮৬১১৩০৫২৪
সজল বড়ুয়া 01792092501,01818994756
চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল সহৃদয় ও শুভানুধ্যায়ীগণ দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করে সহযোগিতা করবেন।