সরকারের পোষা সাপ কুমীরদের আটকানোর থামানোর দায়ীত্বটা তো সরকারেরই, ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নয়




সরকারের পোষা সাপ কুমীরদের আটকানোর থামানোর দায়ীত্বটা তো সরকারেরই, ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নয়
সরকারের পোষা সাপ কুমীরদের আটকানোর থামানোর দায়ীত্বটা তো সরকারেরই, ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নয়
সরকারের পোষা সাপ কুমীরদের আটকানোর থামানোর দায়ীত্বটা তো সরকারেরই, ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নয়।
তারা কেন নিজের জানের রিস্ক নিয়ে এই অসুরদের মুখোমূখী হবে? আওয়ামী নেতারা আকণ্ঠ জলে নেমে কী পরিমান রক্ত মাংশ দুধ কলা খাইয়েছেন এই সাপ কুমীরদের আমরা দেখেছি। সরকার কারো বাঁধা কারো পরামর্শ মানতে রাজী নয়। বারবার সতর্ক করা হয়েছে, এরা বিষাক্ত সাপ, এরা কুমীরের জাত, এদের সাথে জলে নেমে পিরিতি ভাল না। জীবন্ত বিনা চিবিয়ে গিলে ফেলবে, বিষাক্ত ছোবল মারবে মাথায়। সরকার আদরে আহলাদে বিগলিত হয়ে কুমীরের বাচ্চাদের মাথায় হাত বুলাতেই আছে বুলাতেই আছে। বাপরে বাপ! দেশ চলবে মদিনা সনদে, কোরান বিরোধী কোনো আইন এ দেশে হবেনা। মসজিদে মসজিদে সকল শহর সারা দেশ ভরে ফেলবো। কোণায় কোণায় ইসলামী সেন্টার দেবো। অকারণে অপ্রাসঙ্গীক হলেও কেউ না জিগাইলেও কথায় কথায় ইসলাম কিন্তু শান্তির ধর্ম’। ইসলাম সন্ত্রাস সাপোর্ট করেনা। দুনিয়ায় আসলেই ইসলাম সকল ধর্মের শ্রেষ্ট ধর্ম। একমাত্র ইসলাম ধর্মই দিয়েছে নারীর সমান অধিকার। এই দেশে শিক্ষার প্রচলন হয়েছে কউমি মাদ্রাসার মাধ্যমে। কউমি মাদ্রাসায় জিহাদী সন্ত্রাসী ধর্ষক জন্মায় না, কউমি মাদ্রাসা দেশপ্রেমীক সু নাগরিক তৈরি করে। আগামীতে এই দেশের শাসন ভারের দায়ীত্ব নিবে কউমি মাদ্রাসার আলেমরা। এগুলো সব বাচাল আওয়ামী মন্ত্রীদের কথা। “মৌলানা আহমদ শাফী ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিপক্ষে সদা জাগ্রত সদা সত্যবাদী ইসলামের অতন্দ্র প্রহরী এক নির্ভীক সৈনিক ছিলেন”। দেশের আইন সংবিধানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, যে শফি ফতোয়া দিয়েছিল মানুষকে প্রকাশ্যে খুন করার সেই শফিকে নজির বিহীন এই সার্টিফিকেটটা দিয়েছেন বড় পুলিশ অফিসার বেনজির সাহেব। একজন খুনের হুকুম দায়ীর সাথে বসে বড় বড় জিলাপী, রসমালাই, মিষ্টি রসগোল্লা, হরেক রকমের ফুল ও ফলের বাহার সাজিয়ে কি মহান ইফতার পার্টি সরকারী দলের নেতার।
এক একজন হুজুরের দুই ঘন্টা ওয়াজের তথা নারী অপমান, যৌন সুড়সুড়ি আর মঞ্চে বসে অশ্লীল বাচনভঙ্গীর গান শুনানোর দাম দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। এক একটা নোংরামী ওয়াজের সিডিউল পেতে আড়াই মাস অপেক্ষা করতে হয়, এদের বুকিং দেয় কে? টাকাটা আসে কোত্থেকে? অপর দিকে একজন ইউনিভার্সিটি প্রফেসারের দুই ঘন্টার বেতন কতো? এমনি এমনি কি আর এই মোল্লারা রাষ্ট্রের বিরোদ্ধে হুংকার দেয়? নিজে বাঁচে ভিক্ষের টাকায় আর রাষ্ট্রকে দেয় হুমিকি , “ আমার ট্যাক্সের টাকায় এই দেশে মূর্তি ভাস্কর্য বানাতে দেবোনা, দেবোনা দেবোনা”। কাজ করে যদি পেট পালতে হতো তাহলে রাষ্ট্রের বিরোদ্ধে হুংকার দেয়ার শক্তি বা সময় তাদের হতোনা।
আওয়ামী লীগ নেতারা প্রতারণা করেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে সর্বোপরী মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে। প্রতারণা আর ভণ্ডামীরও তো একটা সীমা আছে। তারা সেই সীমা অতিক্রম করে ফেলেছেন অনেক আগে, বঙ্গবন্ধুর দেয়া সংবিধানে একই সাথে ধর্মনিরিপেক্ষতার সাথে রাস্ট্রধর্ম ইসলাম আর বিসমিল্লাহ জুড়ে দিয়ে। তাই আজ এই দূর্দিনে নির্লজ্বের মতো মুখে কুলুপ এঁটে চুপ হয়ে আছে্ন। দেশ ও জাতির মান ইজ্জত রক্ষার দায় নিতে বাধ্য হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী ছাত্রলীগ আর যুবলীগের মুজিব সৈনিকেরা। আমি তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
আলোচনার জন্যে প্রশ্ন রেখে গেলাম, ছাত্রলীগ আর যুবলীগ যদি রাস্তায় না নামতো, যদি তারা মৌলবাদীদের ধমক না দিত, যদি তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মতো নীরব থাকতো তখন ভাস্কর্য ইস্যুর কী হতো? এখনই বা কী হবে বা হতে যাচ্ছে? কোরান হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে আলেম সমাজ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। সরকারের পিছু হঠার তো কোনো সুযোগই নেই, যদি পিছু হঠে যদি কোনো ছাড় দেয় তাহলে আওয়ামী লীগের মৃত্যু অনিবার্য।………………………………………………. Akash Malik.




Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*